শীতের আমেজে শোবার ঘরকে পরিপাটি ও আরামদায়ক রাখতে বর্তমানে লেপ বা কম্বলের বিকল্প হিসেবে কমফোর্টারের ব্যবহার দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
অন্দরসজ্জাবিদদের মতে, শোবার ঘর যত সুন্দরই হোক না কেন, বিছানা যদি অগোছালো থাকে তবে পুরো সৌন্দর্যই ম্লান হয়ে যায়। প্রথাগত লেপ বা কম্বল ব্যবহারের পর বিছানায় সাজিয়ে রাখা বেশ কঠিন এবং অনেক সময় তা দেখতেও বেমানান লাগে।
কিন্তু কমফোর্টার খুব সহজেই সুন্দরভাবে ভাঁজ করে বিছানার মাঝখানে বা একদিকে সাজিয়ে রাখা যায়, যা ঘরের শ্রী বৃদ্ধি করে। নরম ও তুলতুলে এই অনুষঙ্গ যেমন শীত নিবারণ করে, তেমনি আধুনিক ঘর সাজানোর জন্য এটি একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বর্তমানে অনেক শৌখিন মানুষ ঘরের পর্দা বা বিছানার কুশনের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কমফোর্টার বেছে নিচ্ছেন। হালকা নীল, গোলাপি বা সাদা রঙের সুতি ও সিনথেটিক কাপড়ের কমফোর্টারগুলোর চাহিদা এখন বাজারে সবচেয়ে বেশি।
দেশের নামী ফ্যাশন হাউসগুলোও খাদি, সিল্ক কিংবা নকশিকাঁথার হাতে করা কারুকাজ নিয়ে বৈচিত্র্যময় সংগ্রহ বাজারে এনেছে। শৌখিন ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে দেশি সুতি কাপড়ে তৈরি সাশ্রয়ী মূল্যের কমফোর্টার যেমন পাওয়া যাচ্ছে, তেমনি বিশেষ উপহারের জন্য সিল্ক ও নকশিকাঁথার প্যাচওয়ার্ক করা দামী কমফোর্টারেরও কদর বাড়ছে।
মূলত ব্যবহারিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং নান্দনিক রূপের কারণেই আধুনিক অন্দরসজ্জায় কমফোর্টার এখন অন্যতম অনুষঙ্গ।
কমফোর্টারের দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের জন্য এর সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা জানান, কমফোর্টার প্রতিদিন বা নিয়মিত পরিষ্কার করার প্রয়োজন নেই। তবে জীবাণুমুক্ত রাখতে ব্যবহারের সময় মাঝে মাঝে রোদে দেওয়া ভালো। শীতের মৌসুম শেষ হলে এগুলো সরাসরি না ধুয়ে ড্রাই ওয়াশ করে তুলে রাখা উচিত। একটু সচেতন থাকলেই এই শৌখিন অনুষঙ্গটি কয়েক বছর ধরে নতুনের মতো ব্যবহার করা সম্ভব।
আরটিভি/এএইচ





